fbpx

মেয়েদের সলো ট্র্যাভেলিং | পর্ব ০২: কি করবেন, কি করবেন না!

Home » মেয়েদের সলো ট্র্যাভেলিং | পর্ব ০২: কি করবেন, কি করবেন না!

প্রথমবারের মত অপরিচিত মানুষদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা হুট করে নেওয়াটা বোকামি। কিন্তু তাহলে আর একা একা অজানাকে জানা হবে কি করে, তাই তো? আসলে পুরো ব্যাপারটায় প্ল্যানিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে একদিকে যেমন সম্ভাব্য বিপদ ও সমস্যা এড়ানো সম্ভব, তেমনি উল্লেখযোগ্য কোন স্থান, খাবার আর এক্সপেরিয়েন্স থেকে বঞ্চিত হবার সম্ভাবনাও কম। আবার ঠিকঠাক প্ল্যানিং এর মাধ্যমে আর্থিক ও শারীরিক নিরাপত্তার বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যায়। কিন্তু কীভাবে এই প্ল্যানিং শুরু হবে?

অধ্যায় ১: প্ল্যানিং

কোথায় যাওয়া হবে, কবে, বাসে না ট্রেনে, না কি প্লেনে বা জাহাজে? কোন সময়ে রওনা করলে অপ্রত্যাশিত সময়ে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম থাকবে? স্থানীয় মানুষদের কোন বিশেষ রীতিনীতি বা বিধিনিষেধ রয়েছে কি? কোন ধরনের খাবার খেতে হবে আর কোন ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে? কি ধরনের পোশাকে স্থানীয় সংস্কৃতির অবমাননাও হবে না আবার নিজের স্টাইল স্টেটমেন্ট, স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিত্বের সাথেও আপোষ করতে হবে না? প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অন্যান্য ফার্স্ট এইড ব্যবস্থা, আবহাওয়া, উৎসব, রাতে থাকার ব্যবস্থা, কোন ধরনের ব্যাগ নিতে হবে ইত্যাদি অনেক বিষয়েই পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। 

এত সব প্রশ্নের জবাব একবারে নয়, বরং ধীরে ধীরে সংগ্রহ করতে হবে। জ্বী, সংগ্রহ করতে হবে। কারণ বিভিন্ন মানুষের রুচি ও স্বাচ্ছন্দ্য বিভিন্ন রকমের। তাই একজনের জন্য যেটা উপকারী, অন্য কারও জন্য সেটা সম্পূর্ণ অকেজোও হতে পারে। আবার ট্র্যাভেলিং এর ধরন অনুযায়ীও এর ভিন্নতা আসতে পারে। 

প্রথমেই আসা যাক কোথায় যাওয়া হবে এই প্রসঙ্গে। মনে হতে পারে যে এই বিষয়ে শুধু ট্র্যাভেলার নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এটা নিয়ে এখানে আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। একদম ঠিক কথা। কিন্তু এই আলোচনা তাদের জন্য, যারা কখনই একা কোথাও বেড়াতে যায়নি। তাই প্রথম অভিজ্ঞতা ভালো এবং ইন্সপায়ারিং হওয়া খুবই জরুরী। 

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে জনৈক তীর্থযাত্রীর সাথে ক্যামেরাবন্দী স্মৃতিময় মুহুর্তে লেখিকা
চন্দ্রনাথ পাহাড়ে জনৈক তীর্থযাত্রীর সাথে ক্যামেরাবন্দী স্মৃতিময় মুহুর্তে লেখিকা

অধ্যায় ২: ডিসিশন হোক স্মার্ট

প্রথম সলো ট্রিপের জন্য অ্যাডভেঞ্চারের চেয়ে সামগ্রিক এক্সপেরিয়েন্সের প্রতি বেশি খেয়াল রাখা উচিৎ। তাই একটু ভিড় বেশি হলেও জনপ্রিয় কোন ট্যুরিস্ট স্পট সবচেয়ে ভাল স্থান হবে যেমন কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি যেখানে প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি আঞ্চলিকতার সংস্পর্শেও আসা যাবে। আবার কোনো শহরেও যাওয়া যেতে পারে যেমন রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল অর্থাৎ যেসব শহরে ইতিহাস, আঞ্চলিক সংস্কৃতি ও খাবারের সমন্বয় রয়েছে। আর যারা একটু বিলাসিতা পছন্দ করে তারা সিলেট, বান্দরবানে হোটেল-রিসোর্ট ভাড়া করে দিব্যি দুই-একটা দিন কাটিয়ে আসতে পারে। 

এই জায়গাগুলা এমন যেখানে বেড়াতে গেলে মোটামুটি সব ধরনের মানুষই নিরাপদে, বেশ কিছু আনন্দময় স্মৃতি নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে। যেখানেই যাওয়া হোক যাতায়াত ব্যবস্থার দিকে সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে। যেসব স্থানে ট্রেন বা বাস বা অন্য কোন মাধ্যমে সরাসরি যাওয়া যায় না, অথবা বারবার পরিবহন বদলানোর প্রয়োজন পরে প্রথম সোলো ট্রিপে সেসব জায়গায় একা না যাওয়াই ভাল। কারণ এতে করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। পরিবহন ব্যবস্থার দিকে তাই সতর্কতার প্রয়োজনটা একটু বেশি। 

এরপরে আসা যাক রাতে থাকার ব্যাপারে। সাধারণত নামী, পরিচিত তথা ব্র্যাণ্ডেড হোটেল-রিসোর্ট এবং একটু লোকবহুল এলাকায় থাকার চেষ্টা করা উচিৎ। সামাজিক গণমাধ্যম এখানেও সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য সাথী। হোম-স্টে বা এয়ারবিএনবি এর সুবিধা আমাদের দেশে এখনও নেই। আর হোস্টেল বা ডর্মিটরিও নেই। তাই হোটেল-রিসোর্টই একমাত্র ভরসা। এক্ষেত্রে খরচ একটু বেশি হলেও ব্র্যাণ্ডেড প্রতিষ্ঠানের কথাই জোর দিয়ে বলব। 

ভাগ্যবানেরা কোন পরিচিতের বাড়িতেও রাত কাটাতে পারে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোথাও রাতে থাকার প্রয়োজনটাই না পরে। অর্থাৎ, আগের দিন রাতে রওনা দিয়ে পরের দিন ভোরে গন্তব্যে পৌঁছে সারাদিন ঘোরাঘুরির পরে, আবার রাতে ফিরতি পথে যাত্রা শুরু করে তার পরের দিন বাড়িতে পৌঁছানো। পরিশ্রম অনেক বেশি হবে, সবগুলো স্থান ঘুরে দেখা সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তার নিশ্চয়তা অনেক বেশি। খরচটাও বেশ কম।

সোমেশ্বরী নদীতে স্থানীয়দের সাথে ক্যামেরাবন্দী মুহুর্তে লেখিকা
সোমেশ্বরী নদীতে স্থানীয়দের সাথে ক্যামেরাবন্দী মুহুর্তে লেখিকা

অধ্যায় ৩: ঠিক সময়, ঠিক জায়গা

একা ভ্রমণের পিছনে কিছু উদ্দেশ্য থাকে। সেটা যাই হোক না কেন, ট্র্যাভেলিং এর আনন্দ তখনই সম্পূর্ণ হবে যখন নতুন মানুষদের সাথে পরিচয় হবে, নতুন কিছু দেখতে ও জানতে পারা যাবে। তার মানে এই না যে এক স্থানে কয়েকবার ঘুরতে যাওয়া যাবে না। যে কোনো স্থান, এমনকি নিজের শহর সম্পর্কেও অসংখ্য অজানা থেকেই যায়। যেমন একজন জার্মান তরুণী আমাকে আমার অতি পরিচিত ঢাকা শহরের বেশ কিছু অজানার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। তাই নতুন কিছু জানার সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে স্থানীয়দের সাথে কথা বলা, স্থানীয় খাবার চেখে দেখা। 

ট্রিপকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য বিশেষ উৎসব উদযাপনের সময়ে উপস্থিত থাকতে পারাটা বেশ ভাল একটা উপায়। চন্দ্রনাথে পাহাড় ট্রেকিং এ সকলেই যায়, কিন্তু শিব চতুর্দশীর লোকজ ঐতিহ্যে ভরপুর মেলাটি দেখার উদ্দেশ্য খুব কম মানুষেরই থাকে। ঢাকার অদূরেই ধামরাই এ দেশের সবচেয়ে বড় রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এই ধামরাই এই রয়েছে কাঁসা ও অন্যান্য ধাতুর তৈরি হস্তশিল্পের কারখানা। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে আদিবাসীরা বিভিন্ন স্বকীয় উৎসব পালন করে। রাঙ্গামাটিতে এই উৎসবের প্রথম দিন উৎযাপন করতে গিয়ে একই সাথে রাজবন বিহার, কাপ্তাই লেক, ঝুলন্ত সেতু, কায়াকিং সহ অনেক কিছুই উপভোগ করা সম্ভব। মোট কথা, ভ্রমণের জন্য এমন স্থান ও সময় নির্বাচন করুন যেখানে একসাথে অনেক কিছু করার সুযোগ থাকে। কিন্তু কোনটাই যেন আপনার ভ্রমণের আনন্দের চেয়ে ক্লান্তিকে বাড়িয়ে না দেয়, সে বিষয়েও খেয়াল রাখুন। 

অধ্যায় ৪: জোর দিন স্বাচ্ছন্দ্যে

ব্যাগ ও জুতা নির্বাচন করুন আপনার স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রয়োজনকে মাথায় রেখে। যদি একটু লম্বা সময়ের জন্য বেড়াতে যান সেক্ষেত্রে একটু বড় ধরনের ব্যাকপ্যাক (পাহাড়ে ট্রেকিং এ ব্যবহারের জন্য নয়, এর চেয়ে হালকা ধরনের) উপযোগী। এক ব্যাগেই সবকিছু গুছিয়ে নিন। প্রয়োজনে হাতের কাছে পাওয়ার জন্য পানি, ওষুধ, প্রসাধনী বাইরের দিকের পকেটগুলোতে আলাদাভাবে রাখুন। চেষ্টা করবেন যেন ওজন খুব বেশি না হয়। 

পোশাকের ব্যাপারেও আগে থেকেই একটা মোটামুটি পরিকল্পনা করে নিন। আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই পোশাক নির্বাচন করুন। জিন্স এড়িয়ে চলাই ভাল কারণ কোনোভাবে ভিজে গেলে শুকাতে যেমন অনেক সময় লাগে, তেমনি ভারীও হয়ে যায়। ট্রেকিং এর জন্য বা হাঁটার জন্য রাবারের তৈরি স্যান্ডেল ব্যবহার করতে পারেন। সেই সাথে ভারী ট্রেকিং বুটও চলতে পারে। কিন্তু পাহাড় বা বরফ ছাড়া রাবারের স্যান্ডেল বা ফ্লিপফ্লপ বা স্নিকার্স সবচেয়ে ভালো জুতা। হিল পরে কোথাও বেড়াতে না যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রসাধনী ও অলংকারের মাত্রা যৎসামান্য রাখা যায় ততই মঙ্গল। তবে সানগ্লাস, হ্যাট, ময়েশ্চারাইজার আর লিপ বাম সাথে রাখতে ভুলবেন না। প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ সাথে রাখুন। জ্বর, ব্যথা, পেট খারাপ ইত্যাদি নতুন কোন জায়গায় বেড়াতে আসলে খুব সাধারণভাবেই পেয়ে বসতে পারে। 

লেখিকার ক্যামেরায় বিজয়পুর, সুসং দুর্গাপুর, নেত্রকোণা
লেখিকার ক্যামেরায় বিজয়পুর, সুসং দুর্গাপুর, নেত্রকোণা

অধ্যায় ৫: জরুরী, জরুরী এবং জরুরী টিপস!

এই সব বিষয়েই বিস্তারিত ধারণা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ুন, অন্য ট্র্যাভেলারদের অভিজ্ঞতা পড়ুন, ভিডিও দেখুন। যত জানবেন ততই নিজের পরিকল্পনা করতে সুবিধা হবে। তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার চেয়ে বড় শিক্ষা আর নাই। সুতরাং ১০০% নিশ্চিত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির জন্য অপেক্ষা না করে, মোটামুটিভাবে সবদিক খেয়াল রেখে প্রস্তুতি নিয়েই বেরিয়ে পরুন। সেই সাথে নিরাপত্তার বিষয়েও নজর দিন। নিচে নিরাপত্তা বিষয়ক কিছু টিপস দেওয়া হল:

  • একা বেড়াতে যাওয়ার আগে, নিজ পরিবারের একান্ত ঘনিষ্ঠ সদস্য ছাড়া বা সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি ছাড়া তেমন কাউকে জানানোর প্রয়োজন নেই। সামাজিক মাধ্যমে তো একেবারেই না। সকলের উদ্দেশ্যই যে সৎ, সে নিশ্চয়তা কে দিচ্ছে?
  • চেষ্টা করুন টাকা পয়সা কম রাখতে। তার চেয়ে ডিজিটাল মানি ট্রান্সফারের ব্যবস্থা অনেক নিরাপদ। আর সব টাকা একসাথে বা এক স্থানে রাখবেন না। 
  • ব্যাগে তালা ব্যবহার করুন। শুনতে সেকেলে মনে হলেও এতে অনেক নিশ্চিন্তে ভ্রমণ করা যাবে।
  • ফোন, ক্যামেরা ইত্যাদি সব সময়ে নিজের শরীরের সাথে এমনভাবে রাখুন যেন সামান্য টান পরলেও আপনি টের পান। 
  • হাইওয়েতে চলাচলকারী বাস তুলনামূলক ভাবে নিরাপদ। তাই অপ্রত্যাশিত কোন সময়ে যেমন মাঝ রাতে, কোন গন্তব্যে পৌঁছালে আলো ফোঁটা পর্যন্ত বাস কাউন্টারে অপেক্ষা করাই ভাল। অথবা কোন সহযাত্রীর সঙ্গ নিতে পারেন। তবে সেটা একান্তই আপনার বিবেচনার বিষয়। 
  • সাহায্য চাইতে দ্বিধা করা যাবেনা, তবে সাহায্য চাইবার আগে একটু সজাগ দৃষ্টি রেখে চলতে হবে যেন ভুল কারও কাছে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ না পায়। আর খুব বেশি সময় ধরে কারও উপদেশ বা নির্দেশনা শোনারও প্রয়োজন নেই।
  • ছেলেবেলা থেকেই বাবা-মায়ের একটা নির্দেশ থাকে- অপরিচিত কারও দেওয়া কোন খাবার খাওয়া যাবেনা। এক্ষেত্রে বিষয়টা ততটা বাড়াবাড়ি না হলেও, সাবধানতা অবলম্বন করাই ভাল। কোন পরিবার একসাথে খাওয়ার সময় কেউ যদি নিজেদের খাবার আপনাকে দিতে চায় তাহলে তা অত্যন্ত বিনয়ের সাথে গ্রহণ করুন। পারলে নিজের খাবারও শেয়ার করুন।
  • নিজের ব্যক্তিগত পরিচয় কখনই সম্পূর্ণরূপে তুলে ধরবেন না। (যদিও, পুলিশের সদস্যরা ফোন নম্বর চাইলে না দিয়ে উপায় থাকেনা) বিভিন্ন দেশের মেয়ে ভ্রমণকারীরা নিজেদের ‘অবিবাহিত’ হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে চলার জন্য বাঁ হাতের অনামিকায় একটি আংটি সব সময় পরে থাকে। 
  • একা ভ্রমণে আসার বিষয়ে সব স্থানেই অসংখ্য আপত্তিকর প্রশ্নের সম্মুখীন হতেই হবে- এটা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিবেন। 
  • সব সময় খেয়াল রাখবেন যেন শরীরের ওপর অধিক চাপ না পরে। কারণ একা ভ্রমণে আপনার সুস্থ শরীর আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই কোথায় থামতে হবে, কখন খেতে হবে আর কখন বিশ্রাম নিতে হবে সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে ভুলবেন না। 
  • কার্বোনেটেড পানীয় যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন কারণ এগুলো শরীরকে ভিতর থেকে শুষ্ক করে তোলে।
  • স্থানীয় অধিবাসীদের বাড়িতেই প্রাকৃতিক কাজ সারার চেষ্টা করতে পারেন। সাধারণত তারা সহযোগিতাই করে।

সলো ট্র্যাভেলিং এ শুধু অ্যাডভেঞ্চার আর আনন্দই থাকেনা, বেশ দায়িত্বও থাকে। এসময়ে আপনি নিজেই আপনার অভিভাবক। একা ভ্রমণ একজন মানুষকে তার নিজের সামর্থ্য, বিবেচনাবোধ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা, অর্থ ব্যবস্থাপনা সহ অনেক কিছুই নিজের জীবনে অ্যাপ্লাই করার একটা সুযোগ করে দেয়। তাই প্ল্যানিং এ নজর দিন। 

সেই সাথে বলব, আপনার সামর্থ্যের বাইরে কোন কাজ করতে যাবেন না। শুধুমাত্র কোন একজন করেছে বলেই আপনাকেও কোন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণ করতে হবে এমনটা ভাবা ভুল। যার যার পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ীই আমরা বেঁচে থাকি। আর এ কারণেই একজন মানুষ অন্যজন থেকে ভিন্ন। ট্রিপে যাই ঘটুক, সবকিছুকেই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনা করতে চেষ্টা করুন। সব ঘটনাই আপনার জীবনের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার ঝুলিকে ভরে তুলবে। আর একটা দুইটা ট্রিপের পরে আর ভয় থাকবেনা। তখন আপনিও কাউকে পরামর্শ দিতে পারবেন।

Scroll to Top